আধুনিক কান্সার ইঞ্জেকশন ইমিউনোথেরাপি এবং থেরাপিউটিক টিকার ওপর নির্ভরশীল। এগুলো সরাসরি ক্যানসার কোষ ধ্বংস না করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জাগ্রত করে ক্যানসার কোষে আক্রমণ করে। প্রচলিত কেমোথেরাপির তুলনায় এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক কম। https://www.effectivecpmnetwork.com/qp27t7g0?key=330d3b20aa2b8512e33c0c1b7315ff94
আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ইঞ্জেকশন এবং প্রযুক্তির বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. মাত্র ৭ মিনিটের ইমিউনোথেরাপি (টেসেন্ট্রিক/Tecentriq):
- ব্যবহার: ফুসফুসের ক্যানসারের (নন-স্মল সেল লাং ক্যানসার) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রক্রিয়া: এতে 'অ্যাটেজোলিজুমাব' নামের ওষুধ থাকে, যা ক্যানসার কোষের প্রোটিন ব্লক করে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ক্যানসার কোষ শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
- সুবিধা: শিরায় বা আইভি (IV) লাইনে দীর্ঘ সময় দেওয়ার পরিবর্তে এটি ত্বকের নিচে (যেমন উরুতে) মাত্র ৭ মিনিটে প্রয়োগ করা যায়। এতে হাসপাতালে রোগীর অপেক্ষার সময় কমে।
২. এমআরএনএ (mRNA) ক্যানসার ভ্যাকসিন:
- প্রক্রিয়া: আধুনিক গবেষণায় তৈরি ব্যক্তিগতকৃত এমআরএনএ টিকার ইঞ্জেকশন (যেমন: mRNA-4157, BNT122) রোগীর টিউমারের নির্দিষ্ট মিউটেশন বা প্রোটিন দেখে কাস্টমাইজ করা হয়। এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে প্রশিক্ষণ দেয় যাতে ভবিষ্যতে ক্যানসার কোষ ফিরে আসতে না পারে।
৩. থেরাপিউটিক ক্যান্সার ভ্যাকসিন (Therapeutic Vaccines):
- প্রক্রিয়া: এই টিকাগুলো ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য নয়, বরং আক্রান্ত হওয়ার পর ইমিউন সিস্টেমকে বুস্ট করতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে, এলাই-০০২ (ELI-002) ইঞ্জেকশন অগ্ন্যাশয় এবং অন্যান্য কঠিন ক্যানসারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।
খরচ এবং অন্যান্য বিষয়:
- >এই ওষুধগুলোর প্রযুক্তি অত্যন্ত আধুনিক হওয়ায় এগুলোর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ, ৭ মিনিটের টেসেন্ট্রিকের প্রতি ডোজের খরচ ভারতে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার রুপি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- চিকিৎসা পদ্ধতিটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এবং কার্যকর হলেও, বিশাল ব্যয়ের কারণে এখনো সাধারণ মানুষের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ।
