জলাতঙ্ক রোগের লক্ষনগুলো



">
প্রাথমিক লক্ষণ (ইনকিউবেশন পিরিয়ড):
  • অল্প জ্বর, মাথাব্যথা ও দুর্বলতা
  • গলা ব্যথা ও ক্ষুধামান্দ্য
  • কামড়ের স্থানে বা এর চারপাশে অস্বস্তি, চুলকানি, অবশ ভাব বা সুই ফোটার মতো অনুভূতি
পরবর্তী ও মারাত্মক লক্ষণ:
  • অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ (মুখ থেকে ফেনা বের হওয়া)
  • গিলতে প্রচণ্ড অসুবিধা হওয়া
  • পানি দেখলে বা পান করার কথা চিন্তা করলেই গলার পেশিতে খিঁচুনি ও তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয় (হাইড্রোফোবিয়া)
  • আলো, শব্দ বা বাতাসের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা এবং বাতাস বা ঠান্ডা স্রোতে ভয় (এরোফোবিয়া)
  • মানসিক ভারসাম্য হারানো, অতি-উত্তেজনা, বিভ্রান্তি, ভয় ও অনিদ্রা
  • শরীরের কোনো অংশ সাময়িকভাবে অবশ হয়ে যাওয়া বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়া
  • একপর্যায়ে রোগী কোমা বা মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ে 
প্রাণী কামড়ানোর পর পরই সাবান-পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ভালোভাবে ধুয়ে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে জলাতঙ্কের টিকা নিলে এই রোগ শতভাগ প্রতিরোধ করা যায়। রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বিবিসি বাংলা অথবা অ্যাপোলো হসপিটালস এর স্বাস্থ্য নির্দেশিকা দেখতে পারেন।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post