>২০০২ সালে পেশাদার ফুটবলে পা রাখার পর থেকে লিসবন, ম্যানচেস্টার, মাদ্রিদ হয়ে বর্তমানে সৌদি আরবে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ক্লাব ও দেশের হয়ে ইউরোপ জয় করেছেন, আর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অভাবনীয় ১ হাজার গোলের মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। একজন ফুটবলারের পক্ষে যত সাফল্য পাওয়া সম্ভব, তার প্রায় সবই অর্জন করেছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। আক্ষেপ কেবল একটাই— দেশকে একটি বিশ্বকাপ জেতানো। ২০২৬ সালটি কি সেই অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের বছর হতে পারে?
* এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ পাঁচটি আসরে খেলার বিরল রেকর্ডের অংশীদার রোনালদো। ২০০৬ সালে বিশ্বমঞ্চে অভিষেকের পর একে একে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগালের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছেন তিনি। দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি পাশে বসেছেন জার্মানির লোথার ম্যাথাউস, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং মেক্সিকোর আন্তোনিও কারবাহাল, রাফায়েল মার্কেজ ও আন্দ্রেস গুয়ার্দাদোর পাশে— যারাও পাঁচটি বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছেন।
* কেবল অংশ নেওয়াই নয়, ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের পাঁচটি আসরেই গোল করার এক অভাবনীয় কীর্তি গড়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। সবশেষ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দোহার ৯৭৪ স্টেডিয়ামে ঘানার বিপক্ষে ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে এই অনন্য রেকর্ড গড়েন তিনি। উল্লেখ্য, চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের মাত্র চারজন খেলোয়াড়ের— ব্রাজিলের পেলে, আ
https://www.effectivecpmnetwork.com/qp27t7g0?key=330d3b20aa2b8512e33c0c1b7315ff94র্জেন্টিনার মেসি এবং জার্মানির উয়ে সিলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসার।
এরপর ইউভেন্তাসের হয়ে পাঁচটি শিরোপা জিতে ফের ম্যানচেস্টারে নাম লিখিয়ে সংক্ষিপ্ত এক অধ্যায় পার করেন সিআর সেভেন খ্যাত এই ফরোয়ার্ড। আর ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি খেলছেন সৌদি ক্লাব আল নাসরে, যাদের হয়ে সম্প্রতিই জিতেছেন প্রো লিগের শিরোপা।
* কেবল অংশ নেওয়াই নয়, ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের পাঁচটি আসরেই গোল করার এক অভাবনীয় কীর্তি গড়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। সবশেষ ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দোহার ৯৭৪ স্টেডিয়ামে ঘানার বিপক্ষে ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে এই অনন্য রেকর্ড গড়েন তিনি। উল্লেখ্য, চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের মাত্র চারজন খেলোয়াড়ের— ব্রাজিলের পেলে, আর্জেন্টিনার মেসি এবং জার্মানির উয়ে সিলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসার।
>* বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ডটিও নিজের করে রেখেছেন সিআর সেভেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২০১৮ সালের ১৫ জুন সোচিতে স্পেনের বিপক্ষে এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে এই কীর্তি গড়েন তিনি। সেদিন ৩৩ বছর ১৩০ দিন বয়সে মাঠে নেমে স্প্যানিশদের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচটিতে পর্তুগালের তিনটি গোলই এসেছিল তার জাদুকরী পা থেকে।* বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে পর্তুগালের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও রোনালদোর দখলে। বিশ্বমঞ্চে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি, যা টুর্নামেন্টের সার্বিক ইতিহাসেও পঞ্চম সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড। এই ২২ ম্যাচে তিনি মোট ৮টি গোল করেছেন। তবে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি এখনও ভাঙতে পারেননি তিনি। কিংবদন্তি ইউসেবিও ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে মাত্র ৬টি ম্যাচ খেলেই ৯টি গোল করে দেশের পক্ষে শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে নিজের সিংহাসন অক্ষুণ্ন রেখেছেন।
