যদি জ্বরের সাথে শ্বাসকষ্ট বা গুরুতর অসুস্থতা দেখা দেয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
apple-system-body, ui-sans-serif, -apple-system, "system-ui", "Segoe UI", Helvetica, "Apple Color Emoji", Arial, "sans-serif", "Segoe UI Emoji", "Segoe UI Symbol"; font-size: 14px; margin: 0px; padding: 0px;">
0.5rem 0px; padding: 0px; text-align: left;">১সংক্রমণের প্রধান উপায়গুলো হলোঃ
2আক্রান্ত ইঁদুরের মল বা প্রস্রাব শুকিয়ে বাতাসে মিশে গেলে সেই ৩জীবাণুযুক্ত ধুলা শ্বাসের সাথে শরীরে ঢুকে যায়।
৪ইঁদুর কামড়ালে সংক্রমণ হতে পারে।
৫দূষিত খাবার বা পানি খেলে ঝুঁকি থাকে।
৬ইঁদুরের বাসা, গুদাম, পুরোনো ঘর বা অপরিষ্কার জায়গা পরিষ্কার করার সময় বেশি ঝুঁকি থাকে।
৭খুব কম ক্ষেত্রে আক্রান্ত প্রাণী স্পর্শ করার মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।
সাধারণ লক্ষণগুলো:
জ্বর
মাথাব্যথা
শরীর ব্যথা
বমি ভাব
শ্বাসকষ্ট
দুর্বলতা
গুরুতর অবস্থায় ফুসফুসে সমস্যা ও কিডনি জটিলতা হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়:
ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা
ইঁদুর দূরে রাখতে খাবার ঢেকে রাখা
ইঁদুরের মল পরিষ্কার করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করা
ঝাড়ু না দিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করে পরিষ্কার করা